“এখন বুঝতে পারি মানুষ কেন আ/ত্/ম/হ/ত্/য়া করে। তবে আমি মরব না, আমি আমার সন্তানদের নিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচতে চাই!”

একটা মানুষ কতটা নিকৃষ্ট আর পাষাণ হলে নিজের ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে আর্থিক সংকটের মিথ্যে অজুহাতে বোনের বাসায় পাঠিয়ে নিজে বন্ধুর স্ত্রীর সাথে অবৈধ মেলামেশায় মেতে উঠতে পারে? প্রসব বেদনার চরম মুহূর্তে যে স্বামী পাশে থাকে না, নবজাতক মেয়ের মুখ না দেখে পরনারীর আঁচল তলে ছুটে যায়—তার চেয়ে বড় পিশাচ আর কে হতে পারে!”—সম্প্রতি চট্টগ্রামের অলঙ্কার এলাকায় ঘটে যাওয়া এই বর্বরোচিত প্রতারণার ঘটনাটি পুরো দেশের মানুষের রক্তকে গরম করে তুলেছে।
​ভুক্তভোগী লিজা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তিনি যখন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, তখন তাঁর স্বামী নিজেরই এক বন্ধুর স্ত্রীর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্বামীর কষ্টের কথা ভেবে লিজা সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করলেও, সেই পাষণ্ড তখন ওই নারীর সাথে অবৈধভাবে লিভ-ইন করছিলেন। সবচেয়ে ভয়া/বহ বিষয় হলো, ওই পরনারীও জানতেন লিজা অন্তঃসত্ত্বা, তবুও জেনে-শুনে এই নোংরা সম্পর্কে জড়ান! লিজার ডেলিভারির অবস্থা যখন অত্যন্ত সংকটাপন্ন, তখনও এই স্বামী অন্য জীবন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। অবশেষে কন্যাসন্তান জন্মের মাত্র ৪০ দিন পূর্ণ হওয়ার আগেই স্বামীর পকেটে অন্য মেয়েকে বিয়ে করার হলফনামা বা ম্যারেজ ডিড পান লিজা!
​আজ লিজার বড় ছেলেটার হারানো শৈশব আর কান্না দেখে যেকোনো পাথরের মনও গলে যাবে। আর্থিক সংকটের কারণে লিজা তাঁর ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাতে পারছেন না, অথচ স্বপ্ন ছিল ছেলেকে কুরআনের হাফেজ বানাবেন। লিজা আক্ষেপ করে বলেন—”যখন দেখি অন্য শিশুরা বাবার হাত ধরে স্কুলে যায়, তখন বুকটা ভেঙে যায়।” বাবার এই জঘন্য কুর্কীতির কথা ছেলে এখন সব বোঝে, কিন্তু কাউকে বলতে পারে না। তীব্র যন্ত্রণায় পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাওয়া লিজা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—