শিউরে ওঠার মতো নিষ্ঠুরতা:
রক্ত জমাট বাঁধা ক্ষত: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, শিশুটির পিঠে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বেত্রাঘাতের এমন গভীর ক্ষত, যা দেখে স্থির থাকা কঠিন।
পৈশাচিক আনন্দ: পড়া না পারা বা সাধারণ কোনো ভুলের অজুহাতে একটি শিশুর শরীরে এভাবে রক্ত জমিয়ে ফেলা কি শিক্ষা, নাকি ব্যক্তিগত আক্রোশ?
এলাকাবাসীর ক্ষোভ: পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সন্নিকটে অবস্থিত এই মাদ্রাসার ঘটনায় পুরো ৯নং ওয়ার্ডে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিভাবকদের প্রশ্ন—সন্তানকে কি নি/র্যা/তন হওয়ার জন্য মাদ্রাসায় পাঠাই?
আমাদের দাবি—এই বর্বরতা থামুক:
একটি অবুঝ শিশুকে পিটিয়ে পঙ্গু করার অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। কোরআন শিক্ষার মতো মহান কাজের আড়ালে যারা এমন হিংস্র আচরণ করে, তারা আসলে শিক্ষক নামের কলঙ্ক। প্রশাসনের কাছে আমাদের জোর দাবি:
১. অবিলম্বে ওই অভিযুক্ত শিক্ষককে আইনের আওতায় আনতে হবে।
২. মাদ্রাসাটির পরিবেশ এবং শিক্ষকদের মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
৩. শিশুদের সুরক্ষায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
বিশেষ বার্তা: শাসন আর নি/র্যা/তন এক কথা নয়। আপনার সন্তান কোথাও নি/র্যা/ত/নের শিকার হচ্ছে কি না, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখুন। ভয়ে অনেক শিশু মুখ খোলে না, তাদের চোখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করুন। চন্দনাইশের এই ছোট্ট শিশুটির কান্না যেন বৃথা না যায়।