কিন্তু সাময়িক কামনার মোহ আর বাহ্যিক আকর্ষণ সেই স্বর্গীয় পবিত্রতাকেও যে কতটা ম্লান ও কলঙ্কিত করে দিতে পারে—তার এক কুৎসিত ও হৃদয়বিদারক উদাহরণ মিলল এবার! নিজের নাড়িছেঁড়া ধন, যে অবুঝ শিশুটি এখনো ঠিকমতো ‘মা’ ডাকটাও শেখেনি, তাকে অবহেলায় ফেলে রেখে নিজের আপন দেবরের সাথে পালিয়ে গেল জন্মদাত্রী!”—সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই বর্বরোচিত ঘটনাটি পুরো দেশের মানুষের বিবেককে স্তব্ধ করে দিয়েছে।
ঘটনার নেপথ্যে জানা যায়, পারিবারিকভাবেই বিয়ে হয়েছিল এই দম্পতির। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই ওই নারীর নজর পড়ে নিজের ছোট ভাইয়ের মতো দেবরের ওপর। স্বামীর চেয়ে দেবর দেখতে বেশি সুন্দর আর ‘হ্যান্ডসাম’—স্রেফ এই সস্তা বাহ্যিক সৌন্দর্যের মায়ায় মত্ত হয়ে তিনি ভুলে যান নিজের সংসার ও পবিত্র মাতৃত্বের টান! ধীরে ধীরে দেবরের সাথে গড়ে তোলেন চরম অ/নৈ/তি/ক ও নোংরা স/ম্প/র্ক। অবশেষে গত তিনদিন আগে সমস্ত লোকলজ্জা আর নিজের ফুটফুটে দুধের শিশুটিকে ডুকরে কাঁদিয়ে ফেলে রেখে দেবরের হাত ধরে ঘ/র ছা/ড়ে/ন তিনি।
তিনদিন পর পাশের একটি এলাকায় এই প্রেমিক দেবর আর ভাবিকে আপত্তিকর অবস্থায় একসাথে দেখতে পেয়ে হাতেনাতে ধরে ছেলের পরিবার। কিন্তু ধরা পড়ার পর ওই নারীর মুখে যে নির্লজ্জ দাবি শোনা গেল, তা আরও ভয়া/বহ! তিনি দাবি করেন—তিনি নাকি ঘ/র ছা/ড়া/র আগেই স্বামীকে কাগজপত্রে তা/লা/ক দিয়েছেন! অথচ হতভাগা স্বামী এ বিষয়ে বিন্দুবিসর্গও জানেন না। রূপের মোহ হয়তো কিছুদিন থাকে, কিন্তু একটা ভাঙা সংসার আর মায়ের আদর বঞ্চিত একটা শিশুর কান্না সারাজীবন এই পাপীদের অভিশাপ হয়ে তাড়া করবে।