, তার এক করুণ উদাহরণ এই ঘটনা। বিয়ের পর থেকে নেশার টাকা আর যৌতু/কের দাবিতে স্ত্রীর ওপর চলে আসছিল অমানবিক নি/র্যা/তন। কিন্তু এবার সেই পশুত্বের সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
শ্বশুরবাড়ি দিয়েছিল দুহাত ভরে, তবুও ভরেনি মন:
জামাতাকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা: মেয়ের সুখের কথা ভেবে বাবা জামাতাকে একটি থাকার বাড়ি করে দিয়েছেন, উপার্জনের জন্য সিএনজি কিনে দিয়েছেন এবং বিদেশে যাওয়ার সব ব্যবস্থাও করেছিলেন।
কৃতজ্ঞতার বদলে সহিংসতা: এত সহায়তার পরেও ওই ব্যক্তি কাজে মন না দিয়ে নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন। সম্প্রতি ব্যবসার নাম করে আবারও ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে এবং স্ত্রী তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুরু হয় তাণ্ডব।
বৃদ্ধ শ্বশুরের ওপর হা/মলা: নেশাগ্রস্ত স্বামী কেবল স্ত্রীকেই মা/রধ/র করেননি, বাধা দিতে এলে তাঁর বৃদ্ধ শ্বশুরের গায়েও হাত তুলেছেন। ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এক নারকীয় পরিবেশ তৈরি করেছেন।
বারংবার ক্ষমা, অতঃপর আইনি লড়াই:
পরিবারের সম্মান রক্ষায় বারবার সামাজিকভাবে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছিল। কিন্তু অপরাধীর কোনো পরিবর্তন আসেনি। এখন নিজের এবং শিশু সন্তানের জীবন রক্ষায় ভুক্তভোগী নারী কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বোনের বাড়িতে আশ্রয় নিলেও সেখানে গিয়ে প্রাণনা/শের হুমকি দিচ্ছেন এই পাষাণ স্বামী।