সংসারের চরম অভাবের তাড়নায় দোকানে চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছিলেন এক অসহায় নারী

। তবে চোর হিসেবে তাকে পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে, পরম মমতায় তার জীবনের করুণ গল্প শোনেন খোদ দোকানদার।
স্বামীহারা ওই নারী ও তার সন্তানের খেয়ে না-খেয়ে বেঁচে থাকার আকুতি দাগ কাটে দোকানদারের মনে। অভাবের তাড়নায় বাধ্য হয়েই যে তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন, তা বুঝতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
শুধু সহানুভূতি দেখিয়েই ক্ষান্ত হননি সেই মানবিক দোকানদার; চিরতরে ওই নারী ও তার সন্তানের দায়িত্ব নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং তাকে বিয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। জানা গেছে, সেই নারীর পক্ষ থেকেও এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে।
লজ্জা আর অপরাধবোধের এক অন্ধকার মুহূর্ত কীভাবে জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ে পরিণত হলো, তা দেখে সমাজ এখন আপ্লুত। ঘটনাটি জানাজানি হতেই কেউ একে বলছেন মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত, আবার কেউ বা দেখছেন ভাগ্যের এক অদ্ভুত ও সুন্দর মোড় হিসেবে।