প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ছাত্রীর মাকে নিয়ে উধাও এই যুবক!

প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে ছাত্রীর মাকে নিয়ে উধাও এই যুবক!
তার নাম রাকিব হোসেন। বয়স ২৭। গাজীপুরের একটা গ্রামে থাকেন। সে পড়াশোনা করে প্রাইভেট টিউটর হিসেবে কাজ করত। অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে বাড়িতে এসে পড়াত। লোকে তাকে খুব ভালো ছেলে বলে জানত।
একদিন একটা ছাত্রীর বাড়িতে পড়াতে গিয়ে রাকিবের চোখ পড়ে ছাত্রীর মায়ের দিকে। ছাত্রীর মা’র নাম শাহিনা। বয়স ৩২। স্বামী বিদেশে। শাহিনা দেখতে সুন্দরী, কথাবার্তায় মিষ্টি। রাকিব প্রথমে শুধু পড়াতে যেত, কিন্তু ধীরে ধীরে শাহিনার সাথে তার কথাবার্তা বাড়তে থাকে।
শাহিনা রাকিবকে বলতেন, “আমি খুব একা। স্বামী বিদেশে, কেউ আমার খোঁজ নেয় না।” রাকিব সান্ত্বনা দিত। একদিন শাহিনা রাকিবকে বললেন, “তুমি আমাকে ভালোবাসো?” রাকিব লজ্জা পেয়ে চুপ করে থাকল।
তারপর থেকে শাহিনা রাকিবকে প্রাইভেট পড়ানোর নাম করে ডাকতে শুরু করলেন। ছাত্রীকে অন্য রুমে পাঠিয়ে দিয়ে দুজনে একা সময় কাটাতেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠল। রাকিব শাহিনাকে বলত, “আমি তোমাকে বিয়ে করব।” শাহিনা হাসতেন, “তুমি তো অনেক ছোট, কিন্তু আমারও তোমাকে ভালো লাগে।”
এভাবে প্রায় ৮ মাস চলল। রাকিব শাহিনার জন্য তার সব সময় ব্যয় করতে লাগল। শাহিনা তাকে অনেক টাকা দিতেন, গিফট দিতেন।
কিন্তু একদিন হঠাৎ শাহিনা রাকিবকে বললেন, “তুমি আর আমার বাসায় আসবে না। আমার স্বামী দেশে ফিরে আসছে।”
রাকিব অবাক হয়ে বলল, “আমরা তো বিয়ে করব বলেছিলাম?”
শাহিনা হেসে বললেন, “বিয়ে? তুমি তো শুধু একটা ছেলে। আমি তোমার সাথে শুধু সময় কাটিয়েছি। এখন চলে যাও।”
রাকিব ভেঙে পড়ল। সে শাহিনাকে অনেকবার ফোন করল, কিন্তু শাহিনা ফোন ধরলেন না। রাকিবের মন ভেঙে গেল। সে আর পড়াতে যেত না।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
(পার্ট ১ শেষ)
এই পর্যন্ত পড়ে যদি তোমার মনে প্রশ্ন জেগে থাকে — “রাকিব কী করল? শাহিনার সাথে কী হলো? এই ঘটনা থেকে আমরা কী শিখব?” — তাহলে পুরো সত্যি ঘটনা এবং গভীর শিক্ষাটা জানতে পার্ট ২ অবশ্যই পড়ো।
কমেন্ট বক্সে লিংক দিয়ে দিয়েছি। ওয়েবসাইটে গিয়ে পার্ট ২ পড়ো। শেষটা এত গভীর আর হার্ট-টাচিং যে তোমার চোখে পানি চলে আসবে এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য অনেক কিছু শিখতে পারবে।