সকালে খু/নি যখন ঘরের ভেতরে একে একে চারজনকে কু/পি/য়ে

খু/নি অন্তর মজুমদার দীর্ঘ দেড় বছর একই পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকত। প্রায় আট মাস আগে সে বাসা ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু সে ভালো করেই জানত, ভবনের অন্য ভাড়াটিয়ারা বাড়িওয়ালার অনুপস্থিতিতে ভাড়ার টাকা শাহিনুর বেগমের কাছেই জমা রাখতেন। এছাড়া শাহিনুর বেগমের কাছে বেশ কিছু স্বর্ণালংকারও ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেই টাকা ও স্বর্ণালংকার লু/ট
করতেই সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

হ/ত্যা করছিল, তখন ভেতর থেকে আসা চিৎ/কার শুনে জানালার পাশে ছুটে যান স্থানীয় বাসিন্দা আফরোজা বেগম রানী। ঘরের ভেতরের ভ/য়াবহ পরিস্থিতি টের পেয়ে তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে বাইরে থেকে প্রধান গেটটি লক করে দেন। ফলে খু/নি অন্তর মজুমদার ভেতরেই আ/টকা পড়ে যায়।

বাইরে ততক্ষণে আশপাশের মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছে।
ঘরের মেঝেতে তখন পড়ে ছিল মা ও তিন মেয়ের নি/থর দেহ। উপায় না পেয়ে অন্তর ভবনের ছাদে উঠে পাশের ভবনের ছাদে লা/ফিয়ে
পা/লা/নোর চেষ্টা করে। কিন্তু উ/ত্তে/জি/ত জনতার হাত থেকে সে রেহাই পায়নি। স্থানীয়রা তাকে ধরে গ/ণ/পি/টু/নি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃ/ত্যু হয়।

একজন মানুষ একাই কীভাবে চারজনকে এভাবে কু/পি/য়ে হ/ত্যা করল এই প্রশ্ন এখন রায়পুরের সবার মুখে মুখে।

নিহত শাহিনুরের ছোট ভাই এবং একমাত্র বেঁচে থাকা ছেলে জুনাইদ ইসলাম সিফাতেরও দাবি, এর পেছনে অন্য কোনো চ/ক্র বা সহযোগী ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হোক।

একমাত্র ছেলে সিফাত আজ পুরোপুরি নিঃস্ব। এক নিমেষেই হারিয়ে গেল তার মা আর তিন বোন।

আহ! জীবন কত নি/ষ্ঠুর! 💔

আপনার কী মনে হয়? একজন মানুষের পক্ষেই কি এই কাজ
করা সম্ভব, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে আরও বড় কোনো
অ/পরাধচক্র? See less