ভু**ক্তভোগী তারা আক্তার-এর বক্তব্য:
তারা আক্তার অত্যন্ত আ*বেগাপ্লুত ও কাঁ/দতে কাঁ/দতে বলেন:
”
বিয়ের পর আমাদের সংসার কিছুদিন ভালোই চলেছিল। বিয়ের সময় আমি আমার স্বামীকে ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন এবং ৫টি আংটি দিয়েছিলাম (যার মধ্যে একটি আমার ননদের জামাই আমজাদকে এবং বাকি ৪টি আমার স্বামীকে দেওয়া হয়)।”
“বিয়ের এক মাস পর স্বামীর ব্যবসার জন্য আমি ২ লাখ টাকা দিয়েছি এবং তার সংসারের যাবতীয় যা লেগেছে সবকিছু আমরাই দিয়েছি।”
শ্বশুরবাড়ির নি*র্ম*ম নি/র্যা/ত/নে/র কথা উল্লেখ করে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, “এখন আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলতেছে— তুই আমাদের ফ্যামিলির মেয়ে না, তুই আমাদের সাথে থাকতে পারবি না। এই মি/থ্যা অপবাদ দিয়ে তারা আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে।”
আমি জামাইয়ের সুখের কথা চিন্তা করে আমার প্রবাসে থাকা স্বামীর কাছ থেকে টাকা-পয়সা এনে তাকে ব্যবসা করার জন্য দিয়েছি। জুতার দোকান দেওয়ার জন্য ২ লাখ টাকা এবং যাবতীয় সাহায্য করেছি।”
“আমি নিজের সংসার মাটি (নষ্ট) করে হলেও মেয়ের সুখের জন্য জামাইয়ের সংসার সুন্দর করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।”
৩. ওমান প্রবাসী বাবা নূর হোসেন-এর বক্তব্য (ভিডিও কলে):
ওমান থেকে তারা আক্তারের বাবা নূর হোসেন কাঁদতে কাঁদতে বলেন:
“আমার মেয়ের বি*রুদ্ধে প/র/কী/য়ার যে মি/থ্যা অপ*বাদ দেওয়া হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি তাকে ছোটবেলা থেকে বড় করেছি, আমি তার বাবা হয়ে গ্যারান্টি দিতে পারি যে আমার মেয়ে শতভাগ নির্দোষ।
মেয়ের সুখের জন্য এ পর্যন্ত আমি অন্তত ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা খরচ করেছি। নূরনবী প্রথমে অনেক ভালো সেজে কৌশলে আমাদের কাছ থেকে সবকিছু লু*টে নিয়েছে এবং এখন আমার মেয়েকে এই মি*থ্যা অপ**বাদ দিয়ে তাড়িয়ে দিচ্ছে।”
“আমি দেশের মানুষের কাছে এই অন্যায়ের বিচার চাই।
পোস্টটি সর্বোচ্চ শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন