২০১৯ সালের রমজান মাসে বি’দ্যু’ৎ’স্পৃষ্ট হয়ে মা/রা যান তার বাবা কামাল হোসেন। তখন সিফাত ছিল মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। মাত্র ১১ বছর বয়সেই বাবাকে হারিয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তাকে।
এরপর কেটে গেছে সাতটি বছর। কিন্তু নিয়তির নি/র্ম/ম/তা যেন তার পিছু ছাড়েনি।
আজ ২৫ জুন ২০২৬ সাল ভ/য়া/ব/হ স’শ’স্ত্র হামলায় নি/হ/ত হন সিফাতের মা শাহীনুর বেগম, বড় বোন সায়মা আক্তার, মেঝো বোন ইকরা আক্তার এবং ছোট বোন শিফা আক্তার। একদিনেই তার পুরো পরিবার প্রায় নি/শ্চি/হ্ন হয়ে যায়। কেউ ঘটনাস্থলে, কেউ হাসপাতালে, আবার কেউ চিকিৎসার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে সিফাত হারিয়েছে তার বাবা, মা এবং তিন বোনকে। পৃথিবীতে আপন বলতে আর কেউ রইল না তার। এমন শোেক, এমন বেদনা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
জুনায়েদ ইসলাম সিফাত ও তার ছোট বোন শিফার এই ছবিটি দেখলে হৃ’দ’য় ভা/রী হয়ে আসে। একজন মানুষ কতটা কষ্ট বয়ে বেড়াতে পারে, সিফাত তারই এক জীবন্ত উদাহরণ।
এই ছোট্ট ভাইটিকে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো ভাষা সত্যিই খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমরা শুধু প্রার্থনা করতে পারি, আল্লাহ যেন তাকে এই অসহনীয় শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন এবং নি/হ/ত/দে/র জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
একই সঙ্গে প্রত্যাশা-এই নৃ/শং/স ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক, প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় আসুক এবং বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। কারণ বিচারহীনতা কোনো সমাজের জন্যই শুভ নয়। মানুষের জীবন এত সস্তা হতে পারে না।
এই নৃ/শং/স/তা যে চালিয়েছে সে গ/ণ/ধো/লা/ই খেয়ে আহত হয়ে শুনেছি সে মা/রা গেছে যদি এর সাথে অন্য কেউ জড়িত থাকে তাদেরকে যেন খুঁজে বের করা হউক
কেন এমন নৃ/শং/স ঘটনা ঘ’টা’লো সেটাও আমাদের সকলের জানা উচিত
কিছু ক্ষ/ত কখনোই পূরণ হয় না, শুধু বয়ে বেড়াতে হয় সারাজীবন।
কিছু মানুষ জীবনের শুরুতেই এমন সব ক্ষত বয়ে বেড়ায়, যা কোনোদিনও পূরণ হয় না। জুনায়েদ ইসলাম সিফাত তেমনই এক তরুণ। ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছিল, আর আজ একদিনেই হারাল মা ও তিন বোনকে। মাত্র ১৯ বছর বয়সে নিজের পুরো পরিবারকে হারানোর এই বেদনা কল্পনা করাও কঠিন।
পৃথিবীতে এমন কিছু শোক আছে, যার সামনে ভাষা থেমে যায়। মানুষ শুধু নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। সিফাতের জীবনের এই বাস্তবতা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবন কতটা অনিশ্চিত, আর একটি পরিবারের ওপর নেমে আসা একটি ট্র্যাজেডি কতটা ভয়াবহ হতে পারে।