ফুটফুটে মেয়েকে নিয়ে যে মা-বাবা সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিলেন, এক নিমিষেই ওলটপালট হয়ে গেছে তাদের সেই সাজানো সংসার। নি*ষ্পাপ সন্তানের এই ক*ষ্ট দেখে আজ
বা/ক/রু/দ্ধ তার বাবা, আর বু*কফা*টা আ/র্তনাদ করছেন অসহায় মা।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের গোলকপুর গ্রামের ৬ বছরের শি/শু তাসফিয়াকে বাঁচাতে গিয়ে বাবা আইয়ুব মোল্লা নিজের শেষ সম্বল ভিটেমাটি ও জমিও বি/ক্রি করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে ঘাড়ে ওপর চেপেছে লাখ লাখ টাকার ঋ/ণের বোঝা। এখন সব সম্বল হারিয়ে চিকিৎসা চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
তাসফিয়ার এই করুণ দশা দেখে প্রতিবেশীদের চোখও আজ পানিতে ভেজা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পরিবারটি তাদের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছে, কিন্তু এখন আর তাদের কোনো সামর্থ্য নেই। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষগুলো যদি একটু হাত বাড়িয়ে দেন, তবে হয়তো টাকার অভাবে একটি নি/ষ্পাপ প্রা/ণ অকালে ঝ*রে পড়বে না।
সব অন্ধকার কে*টে তাসফিয়া সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক, এমনটাই আশা স্থানীয়দের। কিন্তু লাখ লাখ টাকার এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগান কি এই নিঃস্ব বাবার পক্ষে আসলেই সম্ভব? সমাজের বিত্তবানদের একটু সহযোগিতাই পারে এই ছোট্ট নতুন জীবনের সব স্বপ্ন পূরণ করতে।