মায়ের দা/ফ/ন করতে হবে। কা’ফ’নে’র কাপড় লাগবে, ক/ব/র খোঁড়ার খরচ লাগবে। অথচ পকেটে নেই এক টাকাও।

ঘরের এক কোণে ময়লা কাপড়ে ঢাকা মায়ের ম/র/দে/হ। অথচ কা’ন্না করার মত সময়টুকুও পাচ্ছে না অ’স’হা’য় ছেলে। মায়ের দা/ফ/ন করতে হবে। কা’ফ’নে’র কাপড় লাগবে, ক/ব/র খোঁড়ার খরচ লাগবে। অথচ পকেটে নেই এক টাকাও।

উপায় না পেয়ে চোখের জল দ্রুত মুছে ফেলে সে। মায়ের নিথর মুখটা শেষবারের মতো দেখে দ্রুত বের হয়ে যায় রিকশা নিয়ে। বুকে পাহাড়সম কষ্ট নিয়ে যাত্রী খুঁজতে লাগলোে এদিক-সেদিক।

আজ মায়ের জন্য ওষুধ কিনে আনার কথা ছিল, অথচ সে আজ রিকশা টানছে মায়ের লা /শ দা/ফ/ন করার টাকা জোগাতে।

রাস্তায় কত যাত্রী উঠছে, নামছে। কিন্তু কেউ জানে না, এই মানুষটার মা আজ ঘরে মৃ /ত অবস্থায় শুয়ে আছেন।

প্রতিটি প্যাডেলে চাপ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মনে পড়ছে মায়ের কথা। সেই মা, যিনি না খেয়ে থেকেও ছেলেকে খাইয়েছেন। নিজের নতুন কাপড়ের ইচ্ছে চা’পা দিয়ে ছেলের জন্য জামা কিনেছেন। আজ সেই মাকে মাটির নিচে শুইয়ে দেওয়ার জন্যই তাকে রাস্তায় নামতে হয়েছে।

পৃথিবীর সবচেয়ে অ’স’হা’য় মুহূর্ত হয়তো তখনই, যখন একজন সন্তান মায়ের লা /শ ঘরে রেখে দা/ফ/নে/র টাকা জোগাড় করতে রিকশা চালায়। তার চোখের কোণে জমে ওঠা জল যেন কেউ দেখতে পাচ্ছে না।

বুকভরা এক আ’ক্ষে’পে হয়ত ছেলেটা মনে মনে বলছে, মা… তোমার জন্য অনেক কিছু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শে’ষ বিদায়ের খরচটুকু জোগাড় করতেও আমাকে আজ রাস্তায় নামতে হলো…।