একজন পুরুষের প্রশান্তি ও বিশ্বাসের অন্যতম আশ্রয় তার প্রিয়তমা স্ত্রী

একজন পুরুষের প্রশান্তি ও বিশ্বাসের অন্যতম আশ্রয় তার প্রিয়তমা স্ত্রী। কিন্তু সেই বিশ্বস্ত স্ত্রীও কখনো কখনো হয়ে ওঠেন হায়েনার মতো হিংস্র। তবে এই হিং/স্র ঘটনার নেপথ্যে ওই পুরুষের দায়ও একেবারে কম নয়। অভিযুক্ত নারীও জানিয়েছেন, কী কারণে তিনি এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, আহত হানিফ শেখ পেশায় একজন কসমেটিকস ব্যবসায়ী। প্রথম স্ত্রী মা/রা যাওয়ার পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সেই সংসারে তাদের সন্তানও রয়েছে। কসমেটিকস ব্যবসার সুবাদে দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানদের রেখেই এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন হানিফ শেখ। একপর্যায়ে প্রায় এক মাস আগে ওই নারীকে বিয়ে করে একটি ভাড়া বাসায় রাখেন এবং মাঝে-মধ্যে সেখানে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতেন। তবে প্রায়ই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দিত। রবিবার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তারা ঘুমিয়ে পড়লে সোমবার ভোরে ধারালো ব্লেড দিয়ে ঘুমন্ত স্বামীর
গো/প/না/ঙ্গ কে/টে ফেলেন স্ত্রী।

হানিফের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জোবায়ের নাদিম জানান, হানিফ শেখকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার গোপনাঙ্গ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে।

তবে গো/প/না/ঙ্গে/র প্রতি ক্ষোভের কারণও জানিয়েছেন অভিযুক্ত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। তিনি জানান, দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তাকে রেখে হানিফ আরও এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। এ কারণে তিনি তাকে প্রয়োজন অনুযায়ী সময় দিতেন না। এই ক্ষোভ থেকেই তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন।

এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন স্থানীয়রা। অঙ্গ হারানো যুবক হানিফ শেখ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামের রফিক শেখের ছেলে।