অবহেলার অভিযোগে ইতিমধ্যেই ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩’ অনুযায়ী আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে সন্তানদের। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়েছে— নূরজাহান বেগমের ভরণপোষণ, চিকিৎসা ও পরিচর্যায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
এমন পরিস্থিতিতে নূরজাহান বেগমের ছোট ছেলে ও বুয়েট অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমান দাবি করেছেন, তার মা মারা যাওয়ার পর অনেকেই বলছেন সন্তানেরা মায়ের দেখভাল করেননি, যা সত্য নয়। তিনি জানান, গত ঈদের দিনও তিনি পরিবারসহ মাকে দেখতে গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে প্রথমে কথা বলতে রাজি না হলেও বুধবার প্রথম আলোকে আশিকুর রহমান বলেন, “ঈদের দিন বিকেলে মাংস রান্না করে পরিবারসহ মাকে দেখতে গিয়েছিলাম। মা সেই মাংস খেয়েছেন। মায়ের সময়জ্ঞান তেমন ছিল না, মোবাইলেও সময় দেখতে পারতেন না। তাই একটি দেয়ালঘড়ি নিয়ে গিয়েছিলাম এবং তা দেওয়ালে টাঙিয়ে দেওয়া হয়।”
তার দাবি, নূরজাহান বেগমের মৃত্যু যেভাবে হয়েছে, তা নিয়ে সমালোচনা হতে পারে; কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।