দুবাই থেকে ফোনটা এলে রিয়াজের হাত কাঁপছিল।
“স্ত্রীর DNA টেস্ট করিয়েছি। রিপোর্ট এসেছে।”
রিয়াজ নামের ৩২ বছরের প্রবাসী যুবক গত পাঁচ বছর ধরে বিদেশে খেটে সংসার চালাচ্ছিল। প্রতি মাসে টাকা পাঠাত, স্ত্রী সুমাইয়ার জন্য সোনা-গয়না কিনে পাঠাত, আর ছোট্ট ছেলেটার জন্য খেলনা। সুমাইয়া গ্রামের বাড়িতে একা থাকত।
কিন্তু কয়েক মাস ধরে সন্দেহ হচ্ছিল। ফোনে কথা বলার সময় সুমাইয়ার গলা অন্যরকম লাগত। কখনো কখনো রাতে ফোন ধরত না।
অবশেষে রিয়াজ দেশে এসে চুপিচুপি স্ত্রীর শরীরের নমুনা নিয়ে DNA টেস্ট করায়।
রিপোর্ট হাতে পেয়ে তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঠান্ডা হয়ে গেল।
ল্যাবের রিপোর্টে স্পষ্ট লেখা — সুমাইয়ার শরীরে ৪৫ জন ভিন্ন পুরুষের শুক্রাণুর DNA পাওয়া গেছে।
রিয়াজের চোখে অন্ধকার দেখল। তার সামনে সুমাইয়া দাঁড়িয়ে কাঁদছে, “বিশ্বাস করো, এসব মিথ্যা… কেউ আমার নামে ষড়যন্ত্র করেছে…”
কিন্তু রিপোর্ট তো মিথ্যা বলে না।
রিয়াজের বুকের ভিতরটা যেন ফেটে যাচ্ছিল। পাঁচ বছরের পরিশ্রম, টাকা, ভালোবাসা — সবকিছু এক মুহূর্তে ছাই হয়ে গেল। তার ছোট্ট ছেলেটা ঘরের কোণে দাঁড়িয়ে ভয়ে কাঁপছে। সে বুঝতে পারছে না কেন তার আব্বু চিৎকার করছে আর আম্মু কাঁদছে।
রিয়াজ শুধু একটা প্রশ্ন বারবার করছিল —
“সুমাইয়া… তুমি আমাকে এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা করলে কেন? আমি তো তোমার জন্য সবকিছু ছেড়ে বিদেশে গিয়েছিলাম…”
👉 (পার্ট ১ শেষ)
এই পর্যন্ত পড়ে যদি তোমার বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠে থাকে, চোখ ভিজে গিয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী রিয়াজের এই অবিশ্বাস্য কষ্ট, সুমাইয়ার লজ্জা, ছোট্ট ছেলের নিরাপত্তাহীনতা আর এই DNA রিপোর্ট থেকে আমরা কী শিখতে পারি — সেটা জানতে পার্ট ২ অবশ্যই পড়ো।
কমেন্ট বক্সে লিংক দিয়ে দিয়েছি। ওয়েবসাইটে গিয়ে পার্ট ২ পড়ো।
শেষটা এত গভীর, এত হার্ট-টাচিং আর এত বাস্তব যে তোমার মন ভেঙে যাবে, চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়বে, আর একই সাথে প্রবাসীদের সংসার, স্ত্রীর বিশ্বাস আর পরিবারের ভাঙন নিয়ে অনেক কিছু ভাবতে বাধ্য হবে।
যারা সত্যিই সংসার বাঁচাতে চাও আর প্রবাসী ভাইদের কষ্ট বুঝতে চাও, তারা অবশ্যই পার্ট ২ পড়বে।