আমার আর কোনো জীবন নেই, কিছুই নেই। তাই ভাবলাম, এই ব্রেইল শেখাটাই আমার বেঁচে থাকার পথ হতে পারে। আমার মা ২০২৪ সালের ১৩ অক্টোবর মা/রা গেছেন। আগে মা থাকলে আমার সবকিছু তিনিই করে দিতেন। এখন আমার জন্য সেইভাবে কেউ কিছু করে না।
একদিন জানতে পারলাম, ব্রেইল পদ্ধতিতে একজন লিখলে আরেকজন তা পড়তে পারে। তখন মনে হলো, যদি আমি এই পদ্ধতি শিখতে পারি, তাহলে হয়তো পড়াশোনা করতে পারব, ভবিষ্যতে কোনো চাকরি করতে পারব এবং নিজের জীবিকা নিজেই নির্বাহ করতে পারব।
সেই আশা নিয়েই আমি এই মাদ্রাসায় এসেছি। এখানে এসে আমার খুব ভালো লেগেছে। এখন এই মাদ্রাসাই আমার আপন ঠিকানা। এখানকার শিক্ষক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আমার দেখভাল করবেন, আমাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।
আমি বিশ্বাস করি, এখানে থেকে আমি অনেক কিছু শিখতে পারব। সত্যি বলতে এই মাদ্রাসায় আসতে না পারলে আমার জীবনটাই যেন থেমে যেত এখন এই প্রতিষ্ঠানই আমার নতুন স্বপ্ন, নতুন আশ্রয় এবং নতুন করে বেঁচে থাকার প্রেরণা।