নিহতদের মধ্যে বড় মেয়ে সাইমা আক্তার ডাবি’র শিক্ষার্থী ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, একসময় অন্তর মজুমদার একই বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। তিনি বিবাহিত হলেও প্রায়ই সাইমাকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং বাড়িতে স্ত্রীসহ মদ্যপান করতেন। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তিনি ওই বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
তবে বাড়ি ছাড়ার পরও তার উপদ্রব বন্ধ হয়নি।পরবর্তীতে তিনি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সাইমার পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরিবার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তিনি সাইমাকে গ*ণ*ধ*র্ষ*ণ ও দেখে নেওয়ার হু”ম*কি দেন ।
ঘটনার দিন সকালে অন্তর মজুমদার পানির পাইপ মেরামতের অজুহাতে বাড়িতে প্রবেশ করেন। পানির মিস্ত্রির পরিচয়ে যাওয়ায় কেউ তাকে সন্দেহ করেনি। এরপর তিনি ধা’রা’লো অ*স্ত্র দিয়ে হা’ম’লা চালান। প্রথমে সাইমাকে আ/হ/ত করে ধ/র্ষ/ণ করে। মেয়েকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার মা এবং দুই বোনও হা’ম’লার শিকার হন। ঘটনাস্থলেই সাইমার মা ও দুই বোন মা/রা যান। পরে গুরুতর আহত সাইমা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকায় মা/রা যান।