ভিনদেশে দিনরাত এক করে যে প্রবাসী ভাইরা নিজের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য রক্ত পানি করছেন, নিজের স্ত্রী-সন্তানকে নিরাপদে রাখতে দেশের আইনের ওপর ভরসা করছেন—সেই আইনের লোকই যখন ঘরের ভেতর সিঁধ কাটে, তখন সাধারণ মানুষ কার কাছে যাবে?”—সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এই নজিরবিহীন ও লজ্জাজনক ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও তোলপাড়ের সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, এক সৌদি প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী বিশেষ এক জরুরি আইনি কাজে থানায় গিয়েছিলেন। আর সেখানেই তাঁর পরিচয় হয় থানার দায়িত্বরত এএসআই শাকিলের সাথে।
থানার সেই সাধারণ পরিচয় থেকে শুরু হয় নিয়মিত যোগাযোগ, আর পরবর্তীতে খাকি পোশাকের মোহ আর প্রবাসীর স্ত্রীর নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে সেই সম্পর্ক গড়ায় গভীর ও অ/নৈ/তি/ক ঘনিষ্ঠতায়। কিন্তু পরকীয়ার এই নোংরা বিষাক্ত ছোবল যে একটা সাজানো পরিবারকে কতটা ছারখার করে দিতে পারে, তা প্রমাণ হলো গত পরশু দিন! দুই সন্তানের জননী ওই গৃহবধূকে নিয়ে রাতারাতি উধাও হয়ে গেছেন খোদ পুলিশের এএসআই শাকিল! ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে চারদিকে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি করা হলেও, এখন পর্যন্ত তাঁদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
একজন প্রবাসী ভাইয়ের কষ্টের সংসারে ও তাঁর দুই নিষ্পাপ সন্তানের ভবিষ্যতের বুকে এভাবে ভালোবাসার নামে চরম ছু/রি মারা এবং পুলিশের একজন কর্মকর্তা হয়ে এমন জঘন্য কাণ্ড ঘটানোয় পুরো এলাকাজুড়ে এখন তীব্র ধিক্কার ও সমালোচনার ঝড় বইছে। পুলিশ প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত এএসআই শাকিলের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।